রবিবার, মার্চ ০৫, ২০১৭

কবিপত্নী

শুধু শালগম, ময়দার অদ্ভুত ডিনার শেষে
কবি লিখে গেছে, রাতভর।
নাদেঝদা, পদ্যগুলো তুমি নকল করেছো, মুখস্ত করেছো,
সেলাই করেছো বালিশের খোলে, লুকিয়ে রেখেছো সসপ্যানে,
অন্ধকারে কবিকে জড়িয়ে ধরে সাহস দিয়েছো,
সিঁড়িতে পায়ের আওয়াজ গুপ্ত পুলিশের নয়,
এই যে লিফট থেমে গেল - মত্ত পড়শী এসেছে।

শহরের পর শহর পেরিয়ে গিয়ে
পদ্য বিলিয়েছ, উঁহু, পদ্য নয়, নিষিদ্ধ মাদক।
অনেকেই মরে যেতো, তুমি কেন এতো বেঁচে ছিলে?

অনেক কবির মতোই অবিশ্বাসী, স্বেচ্ছাচারী কবি
তোমার রান্নাকে ঘেন্না করেও
তোমাকে অদ্ভুত রকমের 'বেসেছিল।
কবিরা কী এরকমই হয়?

আজও অন্ধকার নামে, সঙ্গে ধুলোমাখা প্রশ্নেরাও -
অনেকেই মরে যেতো, তুমি কেন এতো বেঁচে ছিলে?
বলতেই হয়,
নিষিদ্ধ মাদক ছাড়া আমরা কীভাবে জানতাম -
কবিতাকে কেন ভয় পায় কিছু লোক,
কবিতা লেখার জন্য কেন মরে যায় কিছু লোক? 

কোন মন্তব্য নেই: