রবিবার, জুলাই ২৩, ২০১৭

সম্রাটের আদেশ

আন্তিগোনে ও তার দিদি ইসমেনে কথা বলছিল। 
আমি গ্রীনরুম থেকে গ্রীক সৈন্যের পোশাকে মঞ্চে ঢুকে 
নিজস্ব সংলাপ শুরু করি। দর্শকেরা ধরে নেয় যে ঐ দৃশ্যে 
আমার ভূমিকা আছে, তারা চুপ করে থাকে। আমি বলি, 
'আমি তোমাদের শান্তিভঙ্গ করব না, বিরক্ত করব না। 
দিনপঞ্জীর যে পাতাগুলি উড়িয়েছি ঘাসে, আমি তাদের 
খুঁজতে আসি নি, সে অবিন্যস্ত শব্দগুলো যেখানে যাবার 
সেখানেই উড়ে চলে গেছে। আমি ঘাসের শিশির বা 
জোনাকির জ্বলা-নেভা দেখতে আসি নি, ঝিঁঝিপোকাদের 
ডাক শুনতে আসি নি। আমি বলতে এসেছি সম্রাট ক্রেয়োন 
দেশে নতুন আদেশ জারি করেছেন যে কে কী খাবে সেটা 
সম্রাটই ঠিক করে দেবেন আর সম্রাটের স্তাবকেরা এই 
নতুন আদেশ পালন করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তোমার ছুরি 
দেবে আমাকে, বীর আন্তিগোনে?' 
এর পর নাটকের কুশীলবরা বুঝতে পারে আমি এই নাটকে 
অবাঞ্ছিত ব্যক্তি। তারা দল বেঁধে মঞ্চে উঠে আসে, আমাকে 
দেশদ্রোহী ঘোষণা করে পেটাতে পেটাতে মঞ্চের বাইরে নিয়ে যায়। 
দর্শকেরা চুপ করে বসে থাকে। 

কোন মন্তব্য নেই: